Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
এমপির পদত্যাগ দাবি আ.লীগ নেতাকর্মীদের

এমপির পদত্যাগ দাবি আ.লীগ নেতাকর্মীদের

স্থানীয় সাংসদকে পদচ্যুত করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে নাটোরের গুরুদাসপুরের স্থানীয় জনগণ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

নিউজ ডেস্ক :         ‘কুদ্দুস হটাও এলাকা বাঁচাও’, ‘কুদ্দুসকে না বলুন’-এমন সব ব্যানার-ফেস্টুন হাতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার স্থানীয় জনগণ। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেনকে মারধর ও হামলার প্রতিবাদে স্থানীয় নেতাকর্মীরাসহ এলাকার লোকজন এ বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভের পর মানববন্ধন করে গুরুদাসপুর উপজেলার সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ সমাবেশে থেকে তারা নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুসকে পদচ্যুত করার দাবি জানান।

আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশন কলম বিরতি ও কালো ব্যাজ ধারণ করে আনোয়ার হোসেনকে মারধর ও হামলার প্রতিবাদে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশন নাটোর জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা যোগ দেন।

প্রথমে গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে চাঁচকৈড় থেকে পৌরসভা পর্যন্ত দীর্ঘ ১ কিলোমিটার সড়কজুড়ে মানববন্ধন হয়। একইসঙ্গে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশ করেন অ্যাসোশিয়েশনের নেতারা।

সমাবেশে হামলার শিকার উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘উপজেলার রায়পুর গ্রামে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে সালিসে দুই পক্ষ আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য সেখানে যাই। এ সময় একদল মানুষ বলে ওঠে, এখানে কিসের সালিস হচ্ছে, এমপি সাহেব তো এখনই বলে গেল এখানে সালিস হবে না। যে সালিস করতে আসবে তাকে মেরে পুতে ফেলতে হবে। এই বলে একজন আমার ওপর আক্রমণ করে। আমি ছোটাছুটি করতে থাকি।’

আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ‘সাংসদ কুদ্দুসের মদদে সবুর মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আমাকে মারধর করেন। লোকজন টেনেহিঁচড়ে আমাকে গাড়িতে তুলে দেয়। একজন পুলিশ অফিসার আমার প্রাণ রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা করেন।’

গুরুদাসপুর পৌরসভার মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ আলী বলেন, ‘পৌর নির্বাচনে নৌকার ভোট করায় সাংসদ কুদ্দুস উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। বিদ্রোহীর প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে পরাজিত হয়ে সাংসদ এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। সেই জন্যই সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।’

সমাবেশে হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশন নাটোর জেলা শাখার সভাপতি লালপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইসাহক আলী, সাধারণ সম্পাদক সিংড়া উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সরকার এমদাদুল হক, গুরুদাসপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম।

জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুরে চেয়াম্যানের দুলাভাই আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে সাংসদ সমর্থক ৯ জনকে অভিযুক্ত করে এ ঘটনায় গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আসামিরা জামিনে মুক্ত আছেন। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।’

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমি এই ঘটনায় সম্পৃক্ত নই। আমাকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD