Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
সংবাদ শিরোনাম :
কালিগঞ্জে সাংবাদিক অনু’র মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ আইনশৃংখলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি জনগন কে এগিয়ে আসতে হবে : পুলিশ সুপার জেরিন আখতার বিলুপ্তির পথে চাটমোহরে চুন শিল্প চাটমোহরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন আব্দুর রহিম কালু হাবিপ্রবিতে “শিক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ক” প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে বরগুনায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান বরগুনার ঢলুয়া ইউ পির দুই মেম্বর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিক্ষোভ সমাবেশ স্মারক লিপি প্রদান অনুষ্ঠিত বরগুনা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন মা অবৈধ দখল-দূষণে বড়াল নদী এখন মরা খাল মাধবপুরে গাঁজা ও পিকাপ সহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক
ক্ষতিপূরণ না পেয়ে থেমে যায় খনির পঙ্গু শ্রমিকদের জীবন

ক্ষতিপূরণ না পেয়ে থেমে যায় খনির পঙ্গু শ্রমিকদের জীবন

আসাদুজ্জামান আসাদ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ     প্রতিবছরই ৪ এপ্রিল পালিত হয় আন্তর্জাতিক খনি নিরাপত্তা দিবস। তবুও পুরোপুরি নিশ্চিত করা যায়নি খনি শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা। এখনও প্রতিবছর মাটির নিচে কয়লা আহরণ করতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কিংবা পঙ্গু হচ্ছেন শ্রমিকরা।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে খনি সম্পদ আহরণে মাটির নিচে কাজ করেন শ্রমিকরা। এই দুই খনিতে কাজ করতে গিয়ে দেশি বিদেশি অনেক শ্রমিক নিহত, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

এমনি একজন পঙ্গু শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের দঃরসুলপুর গ্রামের আয়েজউদ্দিন এর পুএ মো. অহিদুল (৩৬) তিনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিক।

মো. অহিদুল বড়পুকুরিয়া খনিতে ড্রিলিং অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ২০২০সালের ১লা জানুয়ারি মাসে দুর্ঘটনার শিকার হন। খনির ভূগর্ভে কাজ করার সময় ভেতরে কয়লা রাস্তায় কয়লা কাটা মেশিনে পলট খেয়ে চাপা পড়েন। এ সময় তিনি হাত ও পায়ে আঘাত পান। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হলে তার ডান পা কেটে ফেলতে বলেন। কিন্তু পা না কেটে পংগু হয়ে জীবন যাপিত করছেন।

বর্তমানে চাকরি হারিয়ে সংসার চালাতে গিয়ে অর্থ সম্পদ সব শেষ করে ফেলেছেন। এখন আর কেউ তার খবর নেয় না। নিজের দুই সন্তান নিয়ে পরিবার চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।

তিনি কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি।তখন কোম্পানি চিকিৎসা করলেও তাকে এককালীন কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তিনি অনেক ঘোরাঘুরি করে ক্ষতিপূরণ না পেয়ে হতাশা নিয়ে জীবনযাপন করছেন। বর্তমানে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে বাবার বাড়িতে থাকেন।

এ ব্যাপরে জানতে চাইলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক নেতা বলেন, আহত, নিহত ও পঙ্গু হয়ে যাওয়া খনি শ্রমিকদের কোনো তালিকা তার কাছে নেই। এর বাইরে কিছু বলতে চাননি তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রোকৌশলী কামরুজ্জামান খান এর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অপর দিগে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি আন্দোলন কমিটির নেতা ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো সোলায়মান সামি বলেন, খনিতে দুর্ঘটনাগুলো হঠাৎ হলেও দুর্ঘটনা অপেক্ষা বেশি লোক মারা যায় শ্রমিকদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত না করার অভাবে। বর্তমানে বাংলাদেশে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছেন। কেননা সেখানেও খনিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবিলায় নেই কোনো সহায়ক ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, খনির মতোই মূল্যবান খনি শ্রমিকদের জীবন। খনন পদ্ধতিকে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।যারা জীবনের বিনিময়ে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে নিয়ে আসেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিতে সবাগ্রে সেই দেশকেই এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, খনিতে যারা দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারগুলোকে আরও বেশি করে সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD