Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনে ফি লাগবে না

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনে ফি লাগবে না

শিক্ষা ডেস্ক :          গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের কোনো ফি দিতে হবে না। আজ বৃহস্পতিবার গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সমন্বয়ে গঠিত ‘কোর কমিটি’র দ্বিতীয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে।

মহামারীর কারণে এবার সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে একটি পরীক্ষা নিয়ে স্নাতকে শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। সভা সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনে কোনো ফি নেওয়া হবে না। পরে যাচাইয়ের মাধ্যমে যারা দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত হবে তারা ৫০০ টাকা আবেদন ফি প্রধানের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষায় প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ১ নম্বর ধরা হয়েছে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। যোগ্যতা অনুযায়ী সব শিক্ষার্থী প্রাথমিক আবেদন করতে পারলেও একযোগে যতজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া যাবে, মেধার ভিত্তিতে ততজন শিক্ষার্থীকে চূড়ান্ত আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রাথমিক বাছাইয়ে যারা উত্তীর্ণ হবেন, সেই সব শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত আবেদন করার সময় ৫০০ টাকা ফি দিতে হবে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এ পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ ৭, বাণিজ্যের সাড়ে ৬ এবং মানবিকের শিক্ষার্থীদের জিপিএ ৬ থাকতে হবে। তবে ভর্তিচ্ছুদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের জিপিএ ন্যূনতম ৩ করে থাকতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক তারা এ বছর পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেলেও পরবর্তীতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে এ সুযোগ থাকবে না।

‘কোর কমিটি’র এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান। সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ছাদেকুল আরেফিন জানান, পরীক্ষায় বসার ক্ষেত্রে পরিক্ষার্থীদের অপশন দেয়া হবে সে কোথায় বসতে চায়। তার কাছের বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন ২০টি অপশন থাকবে। ২০টি অপশন অনুযায়ী তাদের ওই কেন্দ্রে বসতে দেয়া হবে।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, আমরা কোনো শিক্ষার্থীকে আবেদনের যোগ্যতা থেকে বঞ্চিত করতে চাই না। আমরা চাই এবার যেন সবাই আবেদন করতে পারেন। সেজন্য আবেদনের যোগ্যতা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD