Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
গেজেট বাতিল চেয়ে সিইসি ও চসিক নতুন মেয়র সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ডা. শাহাদাত এর মামলা

গেজেট বাতিল চেয়ে সিইসি ও চসিক নতুন মেয়র সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ডা. শাহাদাত এর মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো :        গত ২৭ জানুয়ারি সম্পন্ন হওয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন মামলা করেছেন। মামলায় এক নম্বর বিবাদী করা হয়েছে চসিকের নবনির্বাচিত মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে সহ মোট নয় জনের বিরুদ্ধে ।
২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার মামলার আরজিতে স্বাক্ষর করছেন ডা. শাহাদাত হোসেন বেলা ১১ টায় চট্টগ্রামের প্রথম যুগ্ম জেলা জজ খায়রুল আমিনের আদালতে ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ডা. শাহাদাতের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন সিনিয়র আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন।

প্রথম বিবাদী রেজাউল করিম চৌধুরী ছাড়াও অন্য বিবাদীরা হলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা, ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার,চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, চসিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী (হাতি প্রতীক) খোকন চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর মেয়র প্রার্থী (মোমবাতি প্রতীক) এমএ মতিন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি এর মেয়র প্রার্থী (আম প্রতীক) আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মেয়র প্রার্থী (চেয়ার প্রতীক) মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মেয়র প্রার্থী (হাতপাখা প্রতীক) মো. জান্নাতুল ইসলামকে ওই মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।

মামলার আরজিতে ২৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ধরা হয়। সেই সঙ্গে নগরীর বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের ভোটের হিসাবের গড়মিল, ভোটার উপস্থিতির হারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করা হয়। এ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল এবং ৩১ জানুয়ারি প্রকাশিত নির্বাচনের গেজেট বাতিল করে আবারো নির্বাচন দেয়ার দাবি করা হয়েছে মামলার আরজিতে।

মামলা দায়েরের পর ডা. শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, চসিক নির্বাচনে ভোটের দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪-৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। কিন্তু দিন শেষে সাড়ে ২২ শতাংশ ভোট দেখানো হয়েছে। নির্বাচনের দিন প্রতিঘণ্টার ভোটের হিসাব দেখতে চেয়েছিলাম। ৭ দিন সময়ও দিয়েছি, কিন্তু ১০ দিন পরেও এই তথ্য নির্বাচন কমিশন দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে ৪ হাজার ৮৮৫টি ইভিএম ব্যবহার করা হয়। সেখানে মাত্র ১০টি বুথে ইভিএমের প্রিন্টেড কপি দেওয়া হয়েছে। যদি ১০টি বুথের ইভিএমের প্রিন্টেড কপি থাকে তাহলে সবগুলো ইভিএমের প্রিন্টেড কপি থাকার কথা। কিন্তু তারা এটা দেখাতে ব্যার্থ হয়েছে।

ডা. শাহাদাত বলেন, ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং বির্তকিত নির্বাচন বাতিল করে নতুন তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে ৯ জনকে বিবাদী করে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD