Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
টিকা আসলেও হার্ড ইমিউনিটি বহুদূর, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

টিকা আসলেও হার্ড ইমিউনিটি বহুদূর, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

নিউজ ডেস্ক :         টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলেও এ বছরই হার্ড ইমিউনিটিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের টিকাপ্রাপ্তি, টিকা বিষয়ে মানুষের আস্থার অভাব এবং দ্রুত ভাইরাসের বিবর্তনের কথা মাথায় রেখে এমন ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আউটব্রেক অ্যালার্ট অ্যান্ড রেসপন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ডেল ফিশার গতকাল সোমবার রয়টার্স নেক্সট কনফারেন্সে বলেন, ‘আমরা আগের স্বাভাবিক জীবনে সহসাই ফিরে যেতে পারছি না। সেজন্য আমাদের হার্ড ইমিউনিটিতে পৌঁছাতে হবে এবং তা হতে হবে অধিকাংশ দেশে। ফলে ২০২১ সালের মধ্যে আমরা সেই পরিস্থিতি দেখতে পাব না।’

ফিশার বলেন, ‘কোনো কোনো দেশ হয়তো হার্ড ইমিউনিটি’ দশায় পৌঁছে যাবে, কিন্তু তাতেও তারা পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবে না, বিশেষ করে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের বেলায়।’ এখন পর্যন্ত টিকা বিতরণ পরিস্থিতির যে হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে এর চেয়ে ভালো কিছু আর আশা করতে পারছেন না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা।

হার্ড ইমিউনিটি তত্ত্ব বলছে, যদি কোনো এলাকার মোট জনসংখ্যার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কোনো ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে থাকে, তাহলে ধরে নিতে হবে, তাদের সবার শরীরে ওই ভাইরাসের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে। সেটা সত্যি হলে সেখানে ভাইরাসের প্রকোপও কমে আসবে।

এখন টিকা চলে আসায় বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বড় পরিসরে তা দেওয়া সম্ভব হলে, তার মাধ্যমেও অধিকাংশ নাগরিকের মধ্যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা সম্ভব। ডেল ফিশার সেই ‘হার্ড ইমিউনিটির’ কথাই বলছেন।

ইউনিভার্সিটি অব ইন্দোনেশিয়ার এপিডেমিওলজিস্ট পান্ডু রিওনো বলছেন, টিকার উপর কিছু দেশের সরকারের ‘মাত্রাতিরিক্ত আস্থাও’ বিপদ ডেকে আনতে পারে, তাতে শিগগিরই ‘হার্ড ইমিউনিটিতে’ পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে।

টিকার নেওয়ার লাইনে একেবারে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়েছে উন্নত দেশগুলো। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুঁশিয়ার করে বলেছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো যে এখনও টিকা পাচ্ছে না, এটাও একটা বড় সমস্যা।

মহামারির তথ্য সংগ্রহকারী ইন্দোনেশীয় সংগঠন ল্যাপরকোভিড-১৯ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইরমা হিদায়ানা বলেন, মানুষের আস্থার বিষয়টিও টিকাদান কার্যক্রমের ওপর প্রভাব রাখতে পারে।

আর ফিশার বলছেন, এ করোনাভাইরাস ভবিষ্যতে নিজেকে কতটা বদলে ফেলতে পারে, সে বিষয়টি এখনও মানুষের অজানা। কারণ অনেক বেশি মিউটেশন হলে এখনকার টিকা আর কার্যকর নাও হতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD