Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
ডিজে নেহার অনৈতিক কাজের কারণ স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব

ডিজে নেহার অনৈতিক কাজের কারণ স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব

ডিজে নেহা।

নিউজ ডেস্ক :             রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে বেরসকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, সে ঘটনায় গ্রেপ্তার নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া ও দূরত্বের কারণে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর গত শুক্রবার ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। আর গত রোববার রিমান্ডের তৃতীয় দিনে নেহার ফোনবুকে পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ডজনখানেক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর নম্বর পেয়েছে। যেগুলো সাংকেতিকভাবে সংরক্ষণ করা। এসব ধনাঢ্য ব্যক্তিদের অনেকের কাছে মদ ও তরুণী সরবরাহ করতেন তিনি। কখনো কখনো নেহা নিজেই তাদের সঙ্গ দিয়েছেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে নিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

জানা গেছে, ভালো লাগা তরুণী-তরুণীদের একান্তে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ঢাকা ও ঢাকার বাইরের একাধিক আবাসিক হোটেল এবং রিসোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল নেহার। এ ছাড়া তার এসব পার্টিতে মাদক সরবরাহ করত অবৈধ মাদক কারবারিরা।

গত মাসের শেষ দিকে মদ পানের পর অস্বাভাবিকভাবে মারা যায় বেরসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী ও তার বন্ধু আরাফাত। এ ঘটনায় মামলা হলে আলোচনায় চলে আসেন নেহা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে মর্তুজা রায়হান ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে মিরপুর থেকে স্কুটার করে লালমাটিয়ায় আরাফাতের বাসায় নিয়ে যান। পরে আরাফাত, ওই শিক্ষার্থী ও রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরার তিন নম্বর সেক্টরের প্যারাডাইস টাওয়ারের ‘বাম্বুসুট রেস্টেুরেন্টে’ যান। সেখানে আসামি নেহা, শাফায়েত জামিলসহ আসামিরা মদ পান করেন এবং ভিকটিমকে মদ পান করান।

একপর্যায়ে ভিকটিম অসুস্থবোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে রায়হান ভিকটিমকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর রাতে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেয়। অসিম পরদিন এসে ভিকটিমকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুইদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ভিকটিম মারা যান।

নেহা সম্পর্কে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘প্রতিদিন ওয়েস্টার্ন দামি দামি সব ড্রেস পড়ে বার ক্লাবে যেতো ডিজে নেহা। ব্যবহার করতো দামি ব্রান্ডের সব মেকআপ। আর এমন রূপের ঝলক দেখিয়ে আয়োজন করতেন ডিজে পার্টির। সেই পার্টিতে নিয়ে আসা হতো ধনী পরিবারের সন্তানদের। সেখান থেকে অনৈতিক কার্যকলাপ। এটাই ছিলে নেহার আয়ের উৎস।’

গত শুক্রবার নেহাকে ৫ দিনের রিমান্ডে আনে পুলিশ। তিনি জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে। পরিবার ও স্বামীর সঙ্গ দূরত্বের কারণে সে এমন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, ‘রাজধানীতে যারা এধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এই বিষাক্ত মদ কোথা থেকে এসেছে।’ নেহার সঙ্গে আর কারা জড়িত তাদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD