Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
তদারকির অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে তালতলীর টেংরাগিরির ইকোপার্ক

তদারকির অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে তালতলীর টেংরাগিরির ইকোপার্ক

বরগুনা প্রতিনিধি :         বরগুনার জেলার তালতলী উপজেলার ফাতরার চড়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে গড়ে তোলা টেংরাগিরী ইকোপার্ক। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পশুর অভয়আশ্রম। যা দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদন স্পট। কিন্তু রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে হারিয়ে যেতে চলেছে স্থানটি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,সোনাকাটা ইকোপার্কের ভিতরে হরিণ রাখার চারপাশের বেষ্টনী হেলে গেছে। আবার বেষ্টনী গুলো মাঝে মাঝে ভেঙ্গে গেছে। বেষ্টনী রডগুলো মরিচা ধরেছে ভিতরের রাস্তাগুলো এত খারাপ হেটে যাওয়া কষ্ট কর। কোথাও ইটের সলিং ওঠে গেছে। ইটের সলিং এর মাঝে মাঝে ছোট ছোট কাঠের পুল রয়েছে। কোথাও বা আবার সুপারি গাছের পুল রয়েছে।

এখন বিভিন্ন প্রজাতি পশু পাখি আর তেমন দেখা মিলছে না ও একদিকে দর্শনার্থীরা কমছে। বনের ভিতর দিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার হেটে গেলে দেখা মিলবে সমুদ্র সৈকত। সেখানে গিয়ে দেখা যাবে সূর্যাস্ত ও সূর্য উদয় এক মনোরম দৃশ্য।বনের ভিতর দিয়ে বয়ে গেছে ছোট ছোট খাল এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দেখা যাবে। সংরক্ষণের অভাবে বনের সৌন্দর্য আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে। পশুগুলো রক্ষার জন্য বন কর্মকর্তাদের তৎপরতা নেই। জানা গেছে,বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় অধীনে টেংরা-গিরি বনাঞ্চলের সখিনা বিটে এ সোনাকাটা ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় iথেকে এই ইকোপার্কে ৮টি হরিণ, ২৪টি শুকুর, ৮টি চিতাবাঘ,দুটি অজগর, দুটি সাজারু ও তিনটি কুমির নিয়ে একটি কুমির প্রজনন কেন্দ্র ছিলো। এখন তেমন কোনো হরিণ বা অন্যান্য কোনো জীব দেখা যাচ্ছে না মাঝেমধ্যে দুই একটা হরিণ শুকর ও কুমির দেখা যায়।

হরিণগুলো রক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সে গুলো বেড়িয়ে যায়। এখন পর্যন্ত বন বিভাগ হরিণগুলো উদ্ধার করতে পারেনি। বন বিভাগের দায়িত্বহীনাতায় দায়ি করছে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, জোয়ার ভাটার কারনে সোনাকাটা ইকোপার্কের অবস্থা বেহাল। শিঘ্রই ইকোপার্কের কোনো উন্নয়ন কাজ না করলে অচিরেই ধ্বংস হবে। বন বিভাগের অব্যবস্থাপনায় ধরে রাখা সম্ভব না এসম্ভাবনা ময় স্থানটি। হরিণগুলো বনের গহীনে চলে গেছে এবং শিয়াল ও হিংস্র প্রানীর খাওয়ার রুপান্তরিত হয়ে গেছে। ইকোপার্ক রক্ষায় এখনই পশু-পাখির সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগ না নিলে আগামীতে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়বে। এটি দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর ।

তালতলী রেঞ্জের সখিনা বিট কর্মকর্তা মো.বেলায়েত হোসেন বলেন,আমি আসছি তিন মাস হয়েছে। গহীন জঙ্গলে অনেক হরিণ অবাধে ঘুরছে। স্থানীয় অসাধু কিছু লোক হরিণ শিকার না করতে পারে সে বিষয় আমরা তৎপর রয়েছি। আমরা বন রক্ষা করার জন্য সার্বক্ষনিক তত্ত্বাবধান করছি।
তালতলী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর হরিণের বেষ্টনী সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ কম বেশী হয়ে থাকে। এ বছরের বরাদ্দ দিয়ে চার পাশের বেষ্টনীগুলোর কাজ করবো। যাতে হরিণ বেস্টনি থেকে বেরিয়ে যেতে না পারে এবং হিংস প্রাণী শিকার বা ক্ষতি করতে না পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD