Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
তালতলীতে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের আসবাবপত্র বিক্রি করলেন সভাপতি – প্রধান শিক্ষক

তালতলীতে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের আসবাবপত্র বিক্রি করলেন সভাপতি – প্রধান শিক্ষক

সাইফুল ইসলাম (রাফিন) :       বরগুনার তালতলীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত ভবনের জরাজীর্ণ লোহার বেঞ্চ ও জানালার গ্রিলসহ অন্যন্য আসবাবপত্র বিক্রি করে দিয়েছেন স্কুলটির সভাপতি-প্রধান শিক্ষক। শিক্ষা অফিস বলছে যে মালামাল বিক্রী হয়েছে তাতে যে অপরাধ হয় সেটা ব্যবস্থা নেওয়ার মত নয়। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০ নং উত্তর কড়ইবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ব্যবহার অনুপযোগি হওয়াতে কয়েক বছর বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এরপরে পাশেই একটি ভবন ছিলো সেটির পরিত্যক্ত ঘোষণা করে টেন্ডার দিয়ে বিক্রী করলেও আগের ভবনটির কোনো ধরণে টেন্ডার বা বিক্রী করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু গত ২১ ফেব্রয়ারী দুপুরের দিকে স্কুলের জরাজীর্ণ ও পুরাতন মালামাল প্রকাশ্য নিলামের কথা থাকলেও তা না করে স্থানীয় শাহ-আলমের কাছে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও আলী বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেনাজ উদ্দিন সিকদার ও প্রধান শিক্ষক শাহিদা বেগম জরাজীর্ণ লোহার বেঞ্চ ও জানালার গ্রিলসহ অন্যন্য মালামাল দুইটি ভ্যানগাড়িতে(কত কেজি তা জানা যায়নি) বিক্রী করে দেন। তবে কতটাকার মালামাল বিক্রী করা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে ১০ থেকে ১৫ মন হবে বলে জানান স্থানীয়রা।

শাহ-আলমের সহকারী জাফর ফকির ২মার্চ বলেন, কত কেজি বিক্রী করেছে তা জানিনা তবে দুই গাড়ি বিক্রী করেন স্কুলের লোকজন। তিনি আরও বলেন,২১ ফেব্রয়ারী দুপুরের দিকে শাহআলম নিয়ে গেছে স্কুলের মালামাল ক্রয় করছেন সেগুলো নিয়ে আসতে হবে। তাই তার সাথে আমি গাড়ি নিয়ে গেছি।

উত্তর কড়ইবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পিটিআই কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, পুরাতন স্কুলটি প্রায় ১০ থেকে ১৫ মন লোহার বেঞ্চ-গ্রিলসহ অন্যন্যা মালামাল বিক্রী করেন সভাপতি-প্রধান শিক্ষক। আমি পিটিআই কমিটির কাছে এ বিষয়ে কোনো কিছু জানায়নি। প্রকাশ্য নিলামের কথা থাকলেও তার কিছুই করেননি তারা। সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।

উত্তর কড়ইবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিদা বেগম বলেন,মাত্র ৫ হাজার টাকার মালামাল বিক্রী করা হয়েছে। তাও বিদ্যালয়েল কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।

উত্তর কড়ইবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মেনাজ উদ্দিন সিকদার বলেন, আমি কিছুই জানি না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল আলম বলেন, টেন্ডার ছাড়া স্কুলের যে মালামাল বিক্রী করা হয়েছে সেটায় ব্যবস্থা নেওয়ার মত কোনো অপরাধ নয়। তাই আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলে দেখি তার পরে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রাথামিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, এক টাকার সরকারী মালামাল বিক্রীর জন্য টেন্ডার দিয়ে বিক্রী করতে হবে। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কেন এভাবে বলছে এবিষয়ে আমি কোনো কিছু জানি না। তবে তার সাথে কথা বলে জানানো যাবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD