Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে সড়ক সংস্কার, খোঁড়াখুঁড়িতে বছর পার

বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে সড়ক সংস্কার, খোঁড়াখুঁড়িতে বছর পার

নিউজ ডেস্ক :        সিলেটের ওসমানীনগর ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সংযোগ রক্ষাকারী গোয়ালাবাজার-খাদিমপুর সড়কটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলীর অফিসের কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দায়সারা মনোভাবের কারণে কাজে গতি আসছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে সড়কের ওপরে একাধিক স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে করা হচ্ছে সংস্কার কাজ। ফলে বিপদজনক এই বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোর কারণে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক কিলোমিটার সড়কে রয়েছে পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি। এ ছাড়া ধীরগতিতে সংস্কার কাজ করায় এবং দেড় বছর থেকে সড়ক খুঁড়ে রাখায় বিভিন্ন স্থানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ধুলার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। সড়কের একাধিক স্থানে পুরোনো পিচ না তুলে সেই পিচের ওপরে নতুন করে বিটুমিনের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। সংস্কার কাজে এমনি নানা অনিয়ম হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজের টেন্ডার পায় রাশেদুজ্জামন কন্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আরটিআই প্রজেক্টের আওতায় এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ওই বছর অক্টোবর মাসে শনিরবাজার থেকে গোয়ালাবাজার সড়কে সংস্কার কার শুরু হয়। কাজ শুরুর পর ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত মাত্র ১৫ শতাংশ কাজ বাস্তবায়ন হলে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে কাজ বন্ধ রাখা হয়। এরপর খুঁড়ে রাখা এই সড়কে যাত্রীরা বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার শিকার হন।

করোনাকালে সংস্কার কাজ বন্ধ থাকাবস্থায় উমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া ব্যক্তি উদ্যোগে এবং স্থানীয়দের মাধ্যমে ইট-বালু দিয়ে সড়কের ছোট-বড় গর্তগুলো ভরাট করে দিয়ে জনসাধারণের সাময়িক চলাচলের সুযোগ করে দেন।

এদিকে, দীর্ঘ ৬ মাস কাজ বন্ধ থাকার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্দ হলে উমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রচেষ্ঠায় ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট পুনরায় সংস্কার কাজ শুরু হয়। কাজে নানা অনিয়মের পাশাপাশি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সড়ক খুঁড়ে তোলা ইট-পাথর বিক্রিরও অভিযোগ ওঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়ক দিয়ে উপজেলার প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘ একযুগ ধরে এই সড়কটি খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় মারত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সংস্কার কাজ শুরুর দেড় বছর হয়ে গেলেও কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না। সম্প্রতি এই রাস্তায় আবার বাস চলাচল শুরু হয়েছে। কিন্তু সংস্কার কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় রোগী ও যাত্রী সাধারণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাশেদুজ্জামন কন্ট্রাকশনের প্রকল্প ম্যানেজার মাকসুমুল হায়দার বলেন, ‘সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। সড়কের ৭৫ ভাগ কাজ হয়েছে, পরবর্তী এক মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা হবে। গাড়ি দিয়ে কংক্রিট এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে সড়কের নিচু অংশ ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন সড়কের কিছু কংক্রিট নিয়ে যায়, আমরা কংক্রিট বিক্রি করি না।’

এ বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী এসএমআল মামুন বলেন, ‘কার্যাদেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ সড়ক খুঁড়ে সংস্কার করার কথা রয়েছে। পুরাতন পিচ না তুলে সংস্কার করার কথা নয়।’

কিছুক্ষণ পর কল দিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকে বলেন, ‘প্রায় এক কিলোমিটারে আরসিসি থাকায় আরসিসির ওপরে বিটুমিনের প্রলেপ দিয়ে পিচ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD