Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
মিয়ানমারে সেনাবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, নিহত ৭

মিয়ানমারে সেনাবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :        মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে টানা বিক্ষোভ চলছে। আজ রোববার দেশটিতে সেনা শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এতে কমপক্ষে সাত জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

এ ছাড়া, মিয়ানমারের প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনে পুলিশ স্টান গ্রেনেড ছুড়ে শিক্ষকদের বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করে দিলে সন্দেহজনক হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এক নারী মারা গেছেন। তার মেয়ে ও এক সহকর্মী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশটির একজন চিকিৎসক এবং একজন রাজনীতিবিদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর দেশব্যাপী বিক্ষোভের আজ সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন।

দেশটিতে অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করতে স্টান গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে ব্যর্থ হওয়ার পর পুলিশ ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন এলাকায় গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে বিক্ষোভ চলছে। এখন পর্যন্ত অং সান সু চিসহ নির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধিদের আটক করে রেখেছে সামরিক জান্তা। আটককৃতদের বিষয়ে খুব কম তথ্যই জানা যাচ্ছে।

 

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির প্রথম ক্যাথলিক কার্ডিনাল চার্লস মং বো টুইটারে বলেছেন, ‘মিয়ানমারের অবস্থা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো’। আজ ইয়াঙ্গুনের বেশ কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভে স্টান গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাস ও গুলি চালায় পুলিশ। সেসময় সেনাদের পুলিশকে উৎসাহ দিতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মিয়ানমারে গত ৮ নভেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। তবে এনএলডি বড় জয় পেলেও সেনাবাহিনী সমর্থিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ভোটে প্রতারণার অভিযোগ তুলে ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল। তারা নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ওইদিন ভোরে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ এনএলডির শীর্ষ বেশ কিছু নেতাকে গ্রেপ্তারের পর এক বছরের জন্য মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা জারি করে সেনাবাহিনী। ক্ষমতায় বসেন সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের পর গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ও গ্রেপ্তার নেতাদের মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে নামে সাধারণ মানুষ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD