Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
সহিংসতার আশঙ্কায় ইসরায়েলে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি

সহিংসতার আশঙ্কায় ইসরায়েলে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :        ইসরায়েলে সরকার গঠন জোটের ঘোষণা দিলেও রাজনৈতিক টানাপড়েন কাটেনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই জোটকে প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া জোটবদ্ধ আট দলের মধ্যে আদর্শগত টানাপড়েন থাকায় সেখানে সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ। খবর রয়টার্স।

দুই বছরের মধ্যে চারবার পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার পরও সরকার গঠনে কোনো দল প্রয়োজনীয় আসন না পাওয়ায় রাজনৈতিক টানাপড়েন তুঙ্গে ওঠে। এর পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতা আকড়ে থাকা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সরিয়ে দিতে বিভিন্ন দল সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর ধারাবাহিকতায় গত বুধবার পার্লামেন্টের আটটি দল মিলে জোট গঠন করে। এ জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে কট্টরপন্থি নেতা নাফতালি বেনেত। তার ইয়ামিনা দলের মাত্র ৬টি আসন থাকলেও জোট গঠনে ‘তুরুপের’ তাস হওয়ায় তিনিই হচ্ছেন দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তবে তার সঙ্গে রয়েছে মধ্যপন্থি নেতা ইয়ার লাপিদ। এ দুজন একই মেয়াদে দুজন পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া এ জোটে রয়েছে ফিলিস্তিনি পার্টিও। তবে সব মিলিয়ে গত মার্চে পার্লামেন্ট নির্বাচনে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সর্বোচ্চ ৩০ আসন পেয়েছে। কিন্তু জোটসঙ্গীর অভাবে তিনি সরকার গঠন করতে পারছেন না। যে কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। বেনেত ও লিপিদ জোটকে ক্ষমতায় বসতে হলে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। আর সেখানে নেতানিয়াহু নেসেটের সদস্যদের বলেছেন- তারা যেন এ জোটকে সমর্থন না করে। এ পরিস্থিতিতে দেশে রাজনৈতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আর এ কারণে সতর্কতামূলক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর ক্ষমতা ধরে রাখার অন্তিম মুহূর্তের চেষ্টা হিসেবে একটি অনলাইন পোস্টে নেতানিয়াহু দেশবাসীকে হুশিয়ার করে বলেছেন, ওই জোট ‘একটি বিপজ্জনক বামপন্থি সরকার’ হতে চলেছে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিন বেট নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান নাদাভ আরগামান কোনো নাম উল্লেখ না করে শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা অতি সহিংস ও উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরির লক্ষণ দেখতে পেয়েছি, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ প্রবণতা নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী বা ব্যক্তিকে এমনভাবে প্রভাবিত করতে পারে যে তারা সহিংস হয়ে উঠতে পারে এবং বেআইনি কিছু করে বসতে পারে যা হয়তো শারীরিক হামলা পর্যন্তও গড়াতে পারে।’

এদিকে ইসরায়েলের এন১২ টেলিভিশনের এক জরিপে দেখা গেছে, ৪৬ শতাংশ ইসরায়েলি বেনেত-লাপিদের সরকারকে সমর্থন করে, ৩৮ শতাংশ মনে করে নতুন সরকারের চেয়ে পঞ্চম দফা জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা উচিত।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD