Home Privacy Policy About Contact Disclimer Sitemap
নোটিশ :
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ! সারাদেশে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । যোগায়োগ করুন : ০১৭৪০৭৪৩৬২০
সাত খুনের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নুর হোসেনের দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য শুরু

সাত খুনের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নুর হোসেনের দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য শুরু

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং সাবেক কাউন্সিলর মো. নুর হোসেন। ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক :        নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং সাবেক কাউন্সিলর মো. নুর হোসেন ও তার স্ত্রী রোমা হোসেনের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার এক নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলাটিতে বাদী দুদকের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এদিন এ সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার পর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জেরার জন্য সময় আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি জেরার দিন ধার্য করেন। সাক্ষ্য গ্রহণকালে নুর হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আর তার স্ত্রী জামিনে থেকে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করা এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শফি উল্লাহ গত বছরের ৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর গত ওই বছরের ১৮ মার্চ মামলায় আদালত আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, নুর হোসেনের বিরুদ্ধে বৈধ আয়ের উৎসবিহীন জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করে দুদক। ওই বছর ১২ ডিসেম্বর কাশিমপুরের কারাগারে থাকা নুর হোসেন সম্পদ বিবরণী নোটিশ দাখিল করেন। তিনি তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে এক কোটি ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৩৬৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য প্রদর্শন করেন। তার দাখিল করা সম্পদের মধ্যে দুই কোটি ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ১৬৪ টাকার স্থাবর সম্পদ ও এক কোটি ৮৪ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্থাৎ মোট ৪ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৮৬১ টাকার সম্পদ রয়েছে। সে হিসাবে তিনি দুই কোটি ৮৫ লাখ ৪৭ হাজার ৪৯২ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেন।

মামলায় আরও বলা হয়, নুর হোসেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি ১৯৮৯-৯০ করবর্ষ থেকে আয়কর দিয়ে আসছেন। কিন্তু তিনি ২০১৩-১৪ করবর্ষের পর আর কোনো আয়কর রিটার্ণ আয়কর বিভাগে জমা দেননি।

তিনি ২০১৩-১৪ করবর্ষ পর্যন্ত মোট পরিসম্পদ এক কোটি ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৫৬ টাকা আয়কর বিভাগে প্রদর্শন করেন যা তার সর্বমোট আয় হিসেবে গণ্য হয়। দুদকের অনুসন্ধানে চার কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৮৬১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জল করেন বলে তথ্য পায় দুদক। ফলে তার তিন কোটি ৩০ লাখ ৮৩ হাজার ৮০৫ টাকার অসাধু উপায়ে অর্জিত সম্পদ অর্জনের উৎস পাওয়া যায়নি, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।

দুই কোটি ৮৫ লাখ ৪৭ হাজার ৪৯২ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য সংবলিত সম্পদ বিবরণী দাখিল করায় এবং তিন কোটি ৩০ লাখ ৮৩ হাজার ৮০৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের অসংগতিপূর্ণ সম্পদের মালিকানা নিজে অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights Reserved
Developed By Cyber Planet BD